1. admin@bartasamahar.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:২৫ অপরাহ্ন

একশো বছরেও বদলায়নি ব্লেডের নকশা, কিন্তু আশ্চর্য কেন জানেন?

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  • ১৪৫ বার পঠিত

বার্তা সমাহার প্রযুক্তি ডেস্ক: ছোট জিনিস কিন্তু সংসারের জন্য অতি প্রয়োজনের। যেমন- সেফটিপিন কিংবা সুচ। তেমনই ধারাল দরকারি একটি জিনিস হল ব্লেড (Shaving Blade)। চুল কাটা, দাড়ি কামানো, নখ কাটা তো আছেই এর বাইরেও গৃহস্থালীর কত টুকিটাকি কাজে লাগে এই ব্লেড! ভারতে নয়ের দশক থেকে আন্তর্জাতিক ব্লেড প্রস্তুতকারক কোম্পানি জিলেটের (Gillette) সঙ্গে বেশি করে পরিচিত হয় একটি প্রজন্ম। টেলিভিশনের বিজ্ঞাপনের কারণে। পরে অবশ্য বহু ভারতীয় কোম্পানিও এসে পড়ে বাজারে, তাদের চমকদার বিজ্ঞাপন নিয়ে। ফলে ব্লেডের মোড়ক বদলেছে। কিন্তু একটা জিনিস বদলায়নি গত ১২০ বছরে। তা হল ব্লেডের চেহারা। ভাল করে বললে ব্লেডের অদ্ভুত নকশা কিন্তু কেন জানেন? এর উত্তর জানতে হলে ব্লেড তৈরির ইতিহাস জানতে হবে।

যে ইতিহাস লিখেছিল ব্লেড প্রস্তুতকারক কোম্পানি জিলেট। ১৯০১ সালে ব্যবসা শুরু করে জিলেট। ১৯০৪ সালে তারা বাজারে আনে ‘কিং ক্যাম্প’ (King Camp) নামের একটি ব্লেড। কিং ক্যাম্প জিলেট (King Camp Gillette) আসলে কোম্পানির মালিকেরই নাম। তাঁর নিজের নামেই কোম্পানি, তাঁর নামেই ব্র্যান্ড। যা দ্রুত জনপ্রিয় হয়। মজার বিষয় হল, পরবর্তী একশো বছরের বেশি সময় ধরে গোটা বিশ্বের যত কোম্পানির ব্লেড বাজারে এসেছে, সব গুলিই ওই একই নকশার। বিশেষত ব্লেডের মাঝের ফাঁকা অংশের নকশা এবং ব্লেডের মাপ কখনই বদলায়নি।

নকশা বদল না হওয়ার পেছনে তারও একটি কারণ ছিল। আসলে সেকালে রেজারের হাতলের সঙ্গে ব্লেডটিকে যুক্ত করার জন্য যে ফাঁকা অংশ রাখা হয়েছিল ব্লেডের মাঝখানে, তা পরবর্তীকালে অবধারিত হয়ে দাঁড়ায়। যেহেতু তা অত্যন্ত কার্যকরি বলে প্রমাণিত হয় এবং দ্রুত জনপ্রিয়ও হয় জিলেটের ওই নকশা। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে শেভিং ব্লেড মানেই ওই আকৃতি ও মাপকেই বোঝে গ্রাহক। পরবর্তীকালে সব সংস্থাই তাই ওই নকশা মেনেই ব্লেড তৈরি করে।

সাম্প্রতিককালে শেভিং ব্লেডের সংজ্ঞা বদলে গেছে। বিশ্বের নামি-দামি অনেক কোম্পানি বা ব্রান্ড বাজারে এসেছে। আধুনিক প্রযুক্তির ইলেকট্রিক শেভিং মেশিনও এসে গেছে বাজারে। তবুও বিশ্বের একদল মানুষের পছন্দ পুরনো স্টেনলেশ স্টিলের শেভিং ব্লেড। একাধিক প্রজন্ম ধরে যার চেহারায় সামান্য বদল আসেনি। দাড়ি কাটার জন্য হোক বা পেন্সিল কাটার জন্য, আজও পাড়ার মুদির দোকানে গেলে মেলে শতাধিক বছরের পুরনো নকশার সেই ব্লেড।

বাস/অ-আন্ত/৩১-ই/২২

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2022 Barta Samahar
Theme Customized By Theme Park BD